Friday, October 30, 2015

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রকেটে মহাশূন্য যাত্রা করবে নাসা

Unknown     10:39 AM     No comments

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথমবারের মতো গভীর মহাশূন্যে যাত্রা করতে যাচ্ছে মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের এসএলএস রকেটের মাধ্যমে গভীর মহাশূন্যে মানুষ যাবে বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথমবারের মতো গভীর মহাশূন্যে যাত্রা করতে যাচ্ছে মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের এসএলএস রকেটের মাধ্যমে গভীর মহাশূন্যে মানুষ যাবে বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। 
নাসা জানায়, এজন্য তারা সাদা রংয়ের স্যাটার্ন ফাইভ রকেট উৎক্ষেপন করবে না। তাদের এসএলএস এর তারা কমলা রং করবে এবং সেখানে ডোরাকাটা দাগও থাকবে। 
তাদের এই স্পেস লঞ্চিং সিস্টেম সব ধরনের আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করেছে বলেও জানা যায়। মহাকাশে যাওয়ার জন্য রকেটটি পুরোপুরি প্রস্তুত এবং ২০১৮ সালে ফ্লোরিডায় কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এটি মহাকাশ যাত্রা করবে।
এক বিবৃতির মাধ্যমে নাসার উপ-সহযোগী পরিচালক বিল হিল জানান, ‘আমরা পুরো নকশা তৈরি করে ফেলেছি। এবং ২০১৮ সালের নভেম্বরে হয়তো আমরা যাত্রা শুরু করতে পারব।
এখন পর্যন্ত এসএলএস এর এই রকেটটিই হবে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রযুক্তি সম্পন্ন। এটি অন্যে যেকোনো সময়ের চেয়ে দূরে নিয়ে যাবে নভোচারীদের। এই যানের মাধ্যমেই হয়তো মঙ্গলে যাত্রা করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন বিল।
এসএলএস এর মাধ্যমে নভোচারীরা প্রথমে চাঁদ, গ্রহাণু ও সর্বশেষ মঙ্গলগ্রহে পৌঁছাবেন। বিল হিল বলেন, "এটা খুবই কঠিন কাজ, সামনে হয়তো আরো কঠিন হয়ে পড়বে। তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আমরা সঠিক পথেই আছি এবং এর মাধ্যমে মহাশূন্যে স্থায়ীভাবে মানুষ পাঠানো সম্ভব হবে।" 
প্রথম দফায় এসএলএস এর সঙ্গে চারটি আরএস-ফাইভ ইঞ্জিন যুক্ত থাকবে। নাসা জানায়, ‘সিডিআর এর অংশ হিসেবে রকেট এবং লাঞ্চ অরেঞ্জ স্টেজ এডাপ্টার এর রং হবে কমলা হবে। এটাই প্রাকৃতিক রং এজন্যই আমরা সাদা রং ব্যবহার করা হচ্ছেনা।
আর রং এর বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া একটি যৌক্তিক কারণও আছে। আর তা হলে আলাদা করে রং করতে এক হাজার পাউন্ড রংয়ের প্রয়োজন হয়। স্বাভাবিক কমলা রং রেখে দিলে এই স্থানটুকু বাঁচানো সম্ভব হবে।
নাসার জনসংযোগ বিভাগের মুখপাত্র শ্যানন রিডলিঞ্জার বলেন, "আলাদাভাবে রং না করে আমরা প্রায় এক হাজার পাউন্ড ওজন কমাতে পারি। এতে করে আমরা অন্য প্রয়োজনীয় বস্তু নিতে সক্ষম হবো।"
১৯৮১ সালে দুটো শ্যাটল উৎক্ষেপনের সময় এই একই কারণে রং করা থেকে বিরত থাকা হয়েছিল। নাসা জানায়, এসএলএস দলটি জুলাইয়েই সিডিআর শেষ করে ফেলে এবং এই কয়েক মাস আসলে সেটা নিয়ে পরীক্ষা চলছিল।
১১ সপ্তাহ ধরে ১৩ টি দল এক হাজারেরও বেশি এসএলএস নথিপত্র পরীক্ষা করেন। ১৫০ গিগাবাইটেরও বড় এই ফাইলগুলো পরীক্ষা করেন বিশ্বের বিশিষ্ট মহাকাশ বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদরা।
এসএলএস প্রজেক্ট ম্যানেজার জন হানিকাট বলেন, "এসএলএস এর জন্য এটা অনেক বড় পদক্ষেপ।" 
২০১৭ সালে নথিপত্র দেখার ২য় ধাপ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, "আমাদের দলটি খুবই কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং এই রকেট থৈরির জন্য মুখিয়ে আছে। আমরা এখন হার্ডওয়্যার তৈরি করছে এবং পরীক্ষা করছি।" 

0 comments :

Recommended

Like Us

Powered by Blogger.

Company

Legal Stuff

FAQ's

Blogroll

Subscribe to Newsletter

We'll never share your Email address.
© 2015 Demo of Topics. Blogger Templates Designed by Bloggertheme9. Powered by Blogger.